তনু হত্যা মামলায় নতুন মোড়, আরও দুই সন্দেহভাজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ
- ডেস্ক রিপোর্টার
- প্রকাশ: ২১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:২০ পি এম
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। আলোচিত এ মামলায় নতুন করে আরও দুজনের ডিএনএ প্রোফাইল প্রস্তুত ও তনুর পোশাক থেকে পাওয়া ডিএনএ নমুনার সঙ্গে তুলনামূলক পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
এর আগে আরও তিনজনের ডিএনএর নমুনা পরীক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল; যার মধ্যে একজন সাবেক সেনাসদস্য ছিলেন।
নতুন করে যেই দুজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে একজন সাবেক সেনাসদস্য, অন্যজনের পেশার বিস্তারিত জানা যায়নি। তবে তিনি সেনাবাহিনীর বাইরের। মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে এ আদেশ দেওয়া হয়েছে বলে আদালত উল্লেখ করেছেন।
১৬ জুলাই কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট–১ আমলি আদালতের বিচারক মো. মুমিনুল হক এ আদেশ দেন। এ বিষয়ে আজ মঙ্গলবার নিশ্চিত হওয়া গেছে।
নতুন করে যে দুজনের ডিএনএ প্রোফাইল প্রস্তুত ও তনুর পোশাক থেকে পাওয়া ডিএনএ নমুনার সঙ্গে তুলনামূলক পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত তাঁরা হলেন সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার মেঘাই গ্রামের বাসিন্দা মো. সোলেইমানের ছেলে সাবেক সেনাসদস্য জাহিদুল ইসলাম এবং কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার লক্ষ্মীনগর-রাজাপাড়া এলাকার এম এ মান্নানের ছেলে ফয়সাল আহমেদ (রাব্বী)। এঁদের মধ্যে জাহিদুলের বিরুদ্ধে ঘটনার শুরু থেকেই অভিযোগ করে আসছে তনুর পরিবার। তবে এত দিন পর্যন্ত মামলার নথিপত্রে তাঁর নাম আসেনি। তনু হত্যার সময় জাহিদুল কুমিল্লা সেনানিবাসে কর্মরত ছিলেন।
আদালতসহ সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সম্প্রতি মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম কুমিল্লার আদালতে সন্দেহভাজন এই দুই ব্যক্তির ডিএনএ পরীক্ষার জন্য আবেদন করেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, তদন্ত চলাকালে ভিকটিমের জব্দ করা পোশাকের ডিএনএ রিপোর্ট পর্যালোচনায় একাধিক পুরুষের সম্পূর্ণ ডিএনএ প্রোফাইল পাওয়া গেছে। এসব ডিএনএ প্রোফাইল যাচাইয়ের জন্য মামলার সন্দেহভাজন সাবেক সৈনিক মো. জাহিদুল ইসলাম (৪১) ও ফয়সাল আহমেদ রাব্বীর (৩২) ডিএনএ প্রোফাইল প্রস্তুত এবং তুলনামূলক পরীক্ষার জন্য তাঁদের রক্তের নমুনা সংগ্রহের অনুমতি চাওয়া হয়।
ওই আবেদনের ভিত্তিতে ১৬ জুলাই আদালত আদেশে বলেন, সুষ্ঠু তদন্ত ও তদন্তের অগ্রগতির ক্ষেত্রে ডিএনএ প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ভিকটিমের পোশাক থেকে পাওয়া ডিএনএ প্রোফাইলের সঙ্গে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের ডিএনএ তুলনা করা হলে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করা সম্ভব হতে পারে।
আদেশে আদালত আরও উল্লেখ করেন, এটি একটি অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলা। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা এখনো অজ্ঞাত থাকায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে সন্দেহভাজন দুজনের ডিএনএ প্রোফাইল প্রস্তুত এবং তুলনামূলক পরীক্ষার জন্য তদন্ত কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুমতি ও ক্ষমতাপত্র দেওয়া হলো।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে এ বিষয়ে পরিদর্শক তারিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। তবে মামলাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত কাজ এগিয়ে নিচ্ছি। আপাতত এর বাইরে কিছু বলতে চাইছি না। তদন্ত শেষে আমরাই বিস্তারিত গণমাধ্যমকে জানাব।’
- তনু হত্যা মামলায় নতুন মোড়, আরও দুই সন্দেহভাজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ
- টিকাদানের পরও থামছে না হাম, কুমিল্লায় শিশুমৃত্যু বেড়ে ১৪
- বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত: স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত
- কুমিল্লায় জমজম ট্রাভেলস্ বিডি'র প্রি-হজ্ব সেমিনার অনুষ্ঠিত
- ডেঙ্গু মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম(এনডিএফ) এর
- আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে কাউকে পুশ ইন করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- এবার দেখা যাক—ট্রফি উঠবে মেসিদের হাতে, নাকি নতুন ইতিহাস লিখবে স্পেন!
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লা সীমান্ত থেকে মাদক ও ভারতীয় পণ্য উদ্ধার
- সদরঘাটে লঞ্চের ধাক্কায় কুমিল্লাগামী ট্রলার ডুবি, ১০ আরোহীই নিরাপদ
- আওয়ামী লীগ আমলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিক্ষাব্যবস্থা : এমপি মনিরুল হক চৌধুরী